5.5 C
New York
Saturday, March 2, 2024

এক সুন্দর ফুটবলার কান্তে

- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -

“পেটে নেই ভাত! না চিকিৎসা, আছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মেলা অভাব!
দেওয়ালে পিঠ ঠেকলে দুনিয়া জয় করা এক একটা গরীবের স্বভাব। “

- Advertisement -

একটা খেটে খাওয়া মানুষ বিশ্ব কে বুঝিয়ে দেয় তার অদম্য বাঁচার ক্ষিদে তাকে শ্রেষ্ঠ করে তুলতে পারে।
কিছু প্লাস্টিক কুড়িয়ে পেট চালানো একটা মানুষ কতো গুরুত্বপূর্ন হতে পারে।
মানুষের ফেলে দেওয়া আবর্জনা গুলো পরিস্কার করা মানুষ যে কতো শক্তিশালী ।

১৯৯৮ এর বিশ্বকাপ ফ্রান্সের সেইন্ট ডেনিস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে জিদান, অনরী দের ফ্রান্স জয়লাভ করে।
আর গোটা স্টেডিয়াম জুড়ে তখন উল্লাস, কেও বিয়ারের বোতল খুলে, কেও খাওয়ার উজ্জাপন করে উল্লাস। আর সেই আবর্জনা কুড়িয়ে নেওয়া নিজের পেট চালানো একটা ছেলে প্রতিজ্ঞা নিয়েছিলেন এভাবেই আর কদিন নিজের পেট চলবে বরং ফুটবল টা কে পেশা করে নিজের পরিবার কে ভালো ভাবেই ভালো রাখতে পারবে সে।

এই ভাবনা নিয়েই প্রস্তুতি নিতে থাকে।
ফ্রান্স জয় লাভ করায় বিভিন্ন জায়গা তে ক্যাম্পিং হয় নতুন খেলোয়াড় নেওয়ার। সেখানে ছেলে টি যোগদান করে।

মানুষ বলেন ফুটবলার হতে উচ্চতা লাগে , লাগে পেশী, অনেক শিল্প, আর ক্ষমতা।
কিন্তু ছেলেটার তেমন কোয়ালিটি বা উচ্চত ছিল না, বা ছিল না গা এর রঙ, ছিল না চুলের স্ট্যাইল।

কিন্তু ছিল জেদ, ইচ্ছে, আর দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে করতেই হবে মনোভাব।
এই ভাবে ১৯ টা বছর আর ৪ টে বিশ্ব কাপ পার হয়ে যায় , কিন্তু সে কামড়ে পরে ছিল নিজের লক্ষ্য তে। এর পর ২০১৮ তে গ্রিজ ম্যান, প্যাওয়ার্ড, এম্বাপে, দের মাঝে এক ইস্পাত সমান এক ডিফেন্সিভ হাফ যেনো একের পর এক ম্যাচ রক্ষা করে গেছে ফ্রান্স ফুটবল দল কে।

২০১৮ সাল।
ফ্রান্স আবার বিশ্বকাপ জয় করেছে। আবারো গোটা স্টেডিয়াম উল্লাস করছে শ্যাম্পেইন খুলে, স্টেডিয়াম আবর্জনা করেই কিন্তু এবার আর তাকে বোতল গুলো বা আবর্জনা গুলো কুড়িয়ে নিতে স্টেডিয়াম নই বরং বিশ্বকাপ জড়িয়ে ধরার সুযোগ সেই খেটে খাওয়া ছেলেটির কাছে।

সে এতোই লাজুক আর সরল যে সবাই একে একে ক্যামেরার সামনে বিশ্বকাপ নিয়ে পোজ দিলেও নিজের ঘাম ঝরিয়ে কন্ট্রিবিউশন করা ছেলে টা ভীতু হয়ে এক কোণে দাঁড়িয়ে।
সরল আবর্জনা কুড়িয়ে পেট চালানো মানুষ টি নিস্তব্দ ছিল সেই বিশ্ব জয় এর দিনে।

তার টিম মেট রা যখন তাকে সামনে এগিয়ে এনে বিশ্ব কাপ টি তার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলে এটা আমাদের। এটা সেলিব্রেট টাইম। তখন সে এক চওড়া হাসি দিয়ে সরল ভাবে বিশ্বকাপ উচিয়ে ধরেছিল। আর একটা উত্তর দিয়েছিল হাসি দিয়ে বন্ধু তুমি যখন সব থেকে কষ্টে থাকবে ঠিক সেখান থেকেই লড়াই শুরু করো। আরো বেশি করে স্বপ্ন দেখো। একদিন জিতবেই।

মানুষ টি হলেন “N’golo Kante” ❤️
এক অদম্য লড়াই , ইন্সপিরেশন এর নাম।
আজকের দিনই এক নিম্ন মধ্যবিত্ত ঘরে জন্ম হয়েছিল ১৯৯১ সালে এই কালো হীরের। ❤️

শুভ জন্মদিন কান্তে। ❤️

–আবু হানিফ বিপ্লব 🌺

- Advertisement -

Related Articles

1 COMMENT

Leave a Comment:

Stay Connected

22,025FansLike
3,912FollowersFollow
18,600SubscribersSubscribe
- Advertisement -

Latest Articles

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker

Refresh Page